logo
logo
news image

টেলিফোনে কথা বলতে অসুবিধা কি

বিএনপির সাথে নির্বাচনের আগে অনানুষ্ঠানিক সংলাপ হলে সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আর মাত্র তিন মাস বাকি। এই তিন মাসের মধ্যে সিডিউল ঘোষণা হবে, এর মধ্যে আনুষ্ঠানিক কোন সংলাপের প্রয়োজন আমরা মনে করি না।

তবে আমাদের মধ্যে একটা ওয়ার্কিং, একটা আন্ডারস্টেন্ডিং থাকতে পারে, এর জন্য টেলিফোনে আমার সাথে যে কেউ কথা বলতে পারে। কাদের সিদ্দিকী সাহেব ফোন করেছেন তিনি কথা বলতে চান। তাকে আমি বলেছি আসেন। অনান্ষ্ঠুানিক আলাপ আলোচনা হতে পারে। আর কিছু না হোক চোখ দেখা দেখি না হোক টেলিফোনে তো সংলাপ করা যায়।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মেট্রোরেলের কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের অনেক গ্যাপ, মনের মধ্যে অনেক দুরত্ব হয়ে যায়, দীর্ঘ দিন দেখা নেই। সবই কি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমিত থাকবে। আমরা কি কথা বার্তা বলবো না। টেলিফোনে কথা বলতে অসুবিধা কি?’

তিনি বলেন, কেউ আমার কথার ভুল ব্যাখ্যা করবেন না প্লিজ। আমি বলেছি আমাদের সঙ্গে কথা বার্তা তো হতে পারে। আনুষ্ঠানিক সংলাপের বিষয়ে আমি কোন কথা বলিনি।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট বাড়বে কি না জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নির্বাচন আসলে পোলারাইজেশন হবে। এলায়েন্স বলেন, এলায়েন্স তো আছে আমাদের। সেটা বাড়তেও পারে। অনেকেই তো জোটে আসতে চাইছে। অনেকেই আবার নিজেরাই আলাদা জোটে ঢুকতে চাইছে। বিএনপির সঙ্গেও থাকবে না আওয়ামী লীগের সঙ্গেও নয়। এমন জোটও হতে পারে। শেষ পর্যন্ত বিষয়টা কোথায় গিয়ে দাড়ায় এটা পরিষ্কার হবে অক্টোবরে।’

সরকাররের উন্নয়নের পাশাপাশি কয়লা দূর্নীতির খবর সরকারের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ এ ব্যপারে যারাই জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন। সরকার তো এখানে নিরব নয়, সরকার এটাকে কঠোরভাবেই দেখছে।


কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top