logo
logo
news image

তিন সিটিতে প্রশাসন ও পুলিশ বাড়াবাড়ি করছে

সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন না থাকলেও স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ির অভিযোগ এনেছে বিএনপি। আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশের পক্ষপাতমূলক আচরণ করছে অভিযোগ এনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দাবি জানিয়েছে দলটি।

রোববার বিকালে ইসি সচিবালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এসব কথা বলেন বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।

পরে প্রতিনিধি দলের প্রধান বিএনপি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা ও নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা সত্তে¡ও পুলিশ বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করছে। তিন সিটিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে যেসব ওসি ও এসআই মিথ্যা মামলা করেছে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছি।

তিনি বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে আমরা মোটেও সন্তুষ্ট নই। তিন সিটিতেই সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা বাড়াবাড়ি করছেন। তারা বিএনপি নেতাকর্মী ও এজেন্টদের আটক করে পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে গ্রেফতার দেখাচ্ছে। আমরা এসব কার্যক্রম বন্ধে ইসির জোড়ালো ভূমিকা আশা করি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিন সিটিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে, জনগণ ভোট দিতে পারলে বিএনপির মেয়র প্রার্থীরা বিজয়ী হবে। কিন্তু তিন সিটিতে নির্বাচনের পরিবেশ নেই।

খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, নির্বাচন কমিশন আশ্বস্ত করলেও ওই দুই সিটিতে সুষ্ঠু ভোট করতে পারেনি। পুলিশ প্রশাসন নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে। তিন সিটির নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে না পারলে নির্বাচনী ব্যবস্থা হুমকির সম্মুখীন হবে। এ নির্বাচনই প্রমাণ হবে ইসির ওপর জনগণের আস্থা থাকবে কী না?

তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে নির্বাচন কী ইসি চালায় নাকি পুলিশ চালায়। নির্বাচন কমিশন যত ভালো নির্বাচন আশা করুক না কেন তা পুলিশ ও প্রশাসনের কার্যক্রমের ওপর নির্ভর করছে।

সিইসির সঙ্গে সাক্ষাতে বিএনপি নেতারা পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। সেগুলো হচ্ছে- বিএনপির নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরকারী আইনশৃঙ্খলার বাহিনীর সদস্যদের শাস্তি দেয়া, নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মী ও পোলিং এজেন্টদের গ্রেফতার না করা, ভোটকেন্দ্রে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশাধিকারের সুযোগ দেয়া, ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেয়া এবং নির্বাচনী অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেয়া।

বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার ও ব্রিগেডিয়ার (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী এবং বিএনপির আইন সম্পাদক কায়সার কামাল উপস্থিত ছিলেন।

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top