logo
logo
news image

এরশাদ যাবেন না তার কাছে আসতে হবে

ঢাকা: জাতীয় পার্টি আর কারও সঙ্গে জোট করার জন্য যাবে না। কারও যদি প্রয়োজন হয় তাদেরই জাতীয় পার্টির কাছে তথা (চেয়ারম্যান) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের কাছে আসতে হবে।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার ও সংসদ সদস্যদের যৌথসভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। আর এ প্রস্তাবনা তোলেন জাতীয় পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। 
বৈঠকে উপস্থিত একাধিক সংসদ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলানিউজকে জানান, রওশন এরশাদ তার বক্তব্যে এরশাদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি আর কারও সঙ্গে জোট করার জন্য যেতে পারবেন না, যাবেন না। কারও প্রয়োজন হলে তারাই আপনার সঙ্গে আলোচনা করার জন্য আসবে। 
রওশন এরশাদের এমন বক্তব্যে অন্যরাও স্বাগত জানায়। পার্টির অনেক নেতা এরশাদকে কোনো দলের ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি না হওয়ার অনুরোধ করেন। 
এছাড়া বৈঠকে এককভাবে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে কেউ কেউ প্রশ্ন তোলেন আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা নিয়ে। জবাবে এরশাদ বলেন, এখন এ বিষয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন নেই। 
বিএনপি যদি নির্বাচনে আসে তখন কী হবে- এমন জিজ্ঞাসার জবাবে এরশাদ বলেন, তখন সেটা দেখা যাবে। আমরা আপাতত এককভাবে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে এগিয়ে যাবো।
আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করতে হলে ৮০ থেকে ১০০টি আসন নিশ্চিত করার দাবি জানান নেতারা। 
বৈঠকে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন ফরমের মূল্য ৪০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। তফসিল ঘোষণা হলে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হবে।
 যেসব জেলা কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে সেখানে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই সম্মেলন সমাপ্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় বলা হয়, নির্বাচনের জন্য উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায় কমিটি গঠন ছাড়াও ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক কমিটিও গঠন করতে হবে।
 আগামী ৮ সেপ্টেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে জাতীয় পার্টির বর্ধিত সভায় পার্টির কর্মসূচি অবহিত করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
 হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সভাপতিত্বে প্রেসিডিয়াম এবং সংসদ সদস্যদের এ যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সাইফুল্লাহ আল মুনিরের উপস্থাপনায় ‘পল্লীবন্ধুর হাত ধরে আর একবার’ শিরোনামে নির্বাচনে জাতীয় পার্টির করণীয় ও কর্মকৌশল সম্পর্কিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পার্টির সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ এমপি, কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, মহাসচিব-এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য- ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, এমএ সাত্তার, কাজী ফিরোজ রশীদ এমপি, জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু এমপি।
 অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন খান, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া টিপু, সাহিদুর রহমান টেপা, অ্যাডবোকেট শেখ মুহম্মদ সিরাজুল ইসলাম, ফখরুল ইমাম এমপি, মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, নুর-ই-হাসনা লিলি চৌধুরী এমপি, অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি, সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান।
 মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা, হাবিবুর রহমান, সুনীল শুভরায়, এসএম ফয়সল চিশতী, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, আজম খান, মশিউর রহমান রাঙ্গা এমপি, সোলায়মান আলম শেঠ, আতিকুর রহমান আতিক, নাসরিন জাহান রতনা এমপি, আব্দুর রশীদ সরকার, মেজর (অব.) খালেদ আখতার, মুজিবুর রহমান সেন্টু, সফিকুল ইসলাম সেন্টু, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি।
 সংসদ সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এমপি, লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এমপি, একেএম মোস্তাফিজুর রহমান এমপি, অধ্যাপক নুরুল ইসলাম মিলন এমপি, নোমান মিয়া এমপি, শওকত চৌধুরী এমপি, নুরুল ইসলাম ওমর এমপি, সালাউদ্দিন মুক্তি এমপি, ইয়াইয়াহ্ চৌধুরী এমপি।
 মুনিম চৌধুরী বাবু এমপি, পীর ফজলুর রহমান এমপি, অ্যাডভোকেট আলতাফ আলী এমপি, আমির হোসেন ভূঁইয়া এমপি, হাজি ইলিয়াস এমপি, সেলিম ওসমান এমপি, রুস্তম আলী ফরাজী এমপি, অধ্যাপক ডা. আক্কাছ আলী সরকর এমপি, মেহজাবিন মোর্শেদ এমপি, মেরিনা রহমান এমপি, খোরশেদ আরা হক এমপি, সাহানারা বেগম এমপি।

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top