logo
logo
news image

শতাধিক আসনে ভোটের প্রস্তুতি জামায়াতের

জাতীয় ঐক্যে’র জন্য বিএনপি তার জোটসঙ্গী জামায়াতকে ছেড়ে দেবে কি না, এমন আলোচনার মধ্যেই বিএনপির সমর্থনে শতাধিক আসনে ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বাধীনতাবিরোধী দলটি। তবে ৫০টির মতো আসনে ছাড় পেতে চেষ্টা করবে দলটি।

আদালতের রায়ে জামায়াতের নিবন্ধন অবশ্য বাতিল হয়েছে। একইভাবে তাদের নির্বাচনী প্রতীক দাঁড়িপাল্লাকে ভোটে ব্যবহারেও নিষেধ করেছে আদালত। ফলে জামায়াতের প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই বিএনপির সমর্থন নিয়ে ভোটে দাঁড়াতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

১৯৯৯ সালে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার পর জামায়াত দুটি নির্বাচন একসঙ্গে করেছে, আবার ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বর্জনও করেছে একসঙ্গে। আর এবার তারা যত আসনে ছাড় চাইছে জোটবদ্ধ কোনো নির্বাচনেই এত বেশি আসনে ছাড় পায়নি তারা।

সবশেষ অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে বিএনপির সমর্থনে ৩৫টি আসনে নির্বাচন করেছিল জামায়াত। আরও চারটি আসন উন্মুক্ত রাখা হয়, সেখানে বিএনপি ও জামায়াত-দুই দলেরই প্রার্থী ছিল।

তবে এখন চাপের মুখেও জামায়াত আরও বেশি আসনে ছাড় পাওয়ার প্রত্যাশা করছে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের পক্ষে অস্ত্র ধরা দলটি। একশটিরও বেশি আসনে প্রস্তুতি শুরু করেছে দলটি। তবে সব আসনে তারা ছাড় পাবে না, এটাও জানেন তারা। তবে ৫০টিরও বেশি আসনে ছাড় পাওয়ার প্রত্যাশায় তারা।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে কে বলেন, ‘অতীতে আমরা কম আসনে প্রার্থী দিলেও এবার আমরা শতাধিক আসনে নার্সিং করছি। যারা প্রার্থী ছিলেন অতীতে, আগামীতে হতে আগ্রহী তারা পরিস্থিতির আলোকে কাজ করছেন। পরে এখান থেকে যাচাই বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি জাতীয় ঐক্য নামে যে মোর্চা গঠনের চেষ্টা করছে তাতে বাধা হিসেবে দেখা হচ্ছে জামায়াতেই। কামাল হোসেনের গণফোরাম আর যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী সরাসরি বলেছেন, তারা স্বাধীনতাবিরোধী দলের সঙ্গে ঐক্য করবেন না। বি. চৌধুরী বিএনপিকে সরাসরি জামায়াত ছাড়ার শর্তই দিয়েছেন।

এর মধ্যেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘সম্ভাব্য প্রার্থীরা কাজ করছেন। সেটা শতাধিক তো হবে। তবে চূড়ান্ত কিছু বলার সময় এখনো হয়নি।’

জোটভিত্তিক নির্বাচনের সিদ্ধান্ত আছে জানিয়ে শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, ‘নির্বাচন তো জোটভিত্তিক করব, এখন পর্যন্ত এটাই সিদ্ধান্ত। তবে আমাদের প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন। আমরা ধানের শীষে নির্বাচন করব না।’

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top