logo
logo
add image
news image

উত্তর বঙ্গের অন্যতম ভ্রমণের স্থান রামসাগর

উত্তর বঙ্গের অন্যতম জেলা দিনাজপুর। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিক্ষায় অনেকটা এগিয়ে। বাংলাদেশের পর্যটনের বিশেষ কিছু আকর্ষণ আছে এই জেলায়। আছে রাজার আমল থেকে চলে আসা পাঁচটি ঐতিহ্যবাহী দিঘি। যেগুলো মূলত ‘সাগর’ নামে পরিচিত। শহরের অল্প দূরে অবস্থিত এই সাগর দেখতে অনেকে আসেন। দিঘিগুলো যথাক্রমে রামসাগর, সুখসাগর, মাতাসাগর, আনন্দ সাগর ও জুলুম সাগর।

রামসাগর: বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম দিঘি রামসাগর। সাগর নয় তবুও গভীরতা আর বিশালতার কারণে ‘সাগর’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। রাজা রামনাথ এলাকার কৃষকদের চাষাবাদের লক্ষে এই দিঘি খনন করেছিল। প্রচলিত আছে এই দিঘি খননের পরেও পানি ছিল না। পরে রাজা স্বপ্নে দেখেন নিজ পুত্রকে বলি দিলে পানি উঠবে। কৃষকদের জন্য রাজা পুত্র রামকে বলি দেন। তারপর থেকেই দিঘির নাম রামসাগর। অনেকে বলেন এটা একটা দিঘি নয়, অনেকগুলো দিঘির ফলে এমন বড় দিঘি তৈরি হয়েছে।

সাগরের পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল, ফল ও কাঠের গাছ ও মনোরম পরিবেশের জন্য বাংলাদেশের অন্যতম পর্যটন স্থানে পরিণত হয়েছে। এখানে একটি চিড়িয়াখানা রয়েছে। সেখানে অজগর, হরিণ, বানর, পাখিসহ বেশ কিছু প্রাণির সংগ্রহ নিয়ে চিড়িয়াখানাটি বেশ সুন্দর। দিনাজপুর জেলার সদর থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দক্ষিণে আউলিয়াপুর ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে রামসাগরের অবস্থান। এর দৈর্ঘ্য ১০৩১ মিটার, প্রস্থ ৩৬৪ মিটার। গভীরতা ১৩.৫০ মিটার। ইতিহাসবিদদের মতে, দিঘিটি খনন করতে তৎকালীন প্রায় ৩০ হাজার টাকা এবং ১৫ লাখ শ্রমিকের প্রয়োজন হয়েছিল। রাজা রামনাথের আমলে পলাশী যুদ্ধের আগে (১৭৫০-১৭৫৫) এই দিঘি খনন করা হয়।

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top