logo
logo
add image
news image

সমাজের চোখে ডিভোর্সি কিংবা বিধবা অথবা বয়সে বড় মেয়ে

কারন হলো আমাদের সমাজে ডিভোর্সি কিংবা বিধবা অথবা বয়স হয়ে যাওয়া মেয়েদের ভিন্নতর চোখে দেখা হয়। আর এমন ভাবে ভাব নেওয়া হয় এই মেয়ে জীবনে সবচেয়ে জঘন্য পাপ টি করে ফেলছে ! তার জীবন কাহিনী এইখানে শেষ। সে তখন ডাস্টবিন পরিত্যক্ত।

সব ডিভোর্স কাহিনী কিন্ত সমান নয়। কিন্ত আমরা যখন কোন ডিভোর্সি মেয়ের দিকে তাকায় তখন মাথায় প্রথম মেয়েটার ডিভোর্স যে কারন আমাদের চোখে পড়ে তা হলো, হয়ত মেয়েটার স্বামী শারীরিক ভাবে অক্ষম ছিল অথবা মেয়েটার চরিএ খারাপ। তাই স্বামী ডিভোর্স দিয়ে দিয়েছে !

আমার চেনা অনেক দ্বীনি বোন আছেন, যারা দ্বীনদার ছেলের জন্য অপেক্ষা করে বয়স বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের অপরাধ তারা বে-নামাজি ছেলে কে বিয়ে করতে চান নাই। আবার অনেক দ্বীনি বোন আছে যারা স্বামী-কে ইসলামে পথে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে ডিভোর্স নিয়েছেন। কারন আর যাই হোক বে-নামাজি সাথে তো সংসার করা যায় না।

আমি এমন দ্বীনি বোনকে দেখেছি ছেলের সমস্ত যোগ্যতা থাকা পরেও টাকনু উপর প্যান্ট না পড়ার কারনে বিয়ে করেন নাই।

পরিবার লোকজন ও কোন ভাবেই একজন ডিভোর্সি মেয়ে বউ করতে চায় না। অথচ আমরা ভুলে গেছি ইসলামের সোনালী যুগে কথা, যখন সাহাবীরা শুধু মাএ এই আশায় থাকতেন কোন বিধবা কিংবা ডিভোর্সি মেয়ে আছে কিনা। আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ নিজে ও একাধিক বিধবা ও ডিভোর্সি মেয়ে বিয়ে করেছেন। সোনালী যুগে মেয়েরা ছিল সম্মানিত। যদিও বা তারা কখনো নারী অধিকার নিয়ে রাস্তায় নামেন নাই !

আমরা ডিভোর্সি কিংবা বিধবা মেয়েদের খারাপ চোখে দেখি। অথচ আমরা চোখ বন্ধ অন্যর প্রেমিকা কে বিয়ে করতে দ্বিধাবোধ করি না। ইসলামে প্রেম কে হারাম করা হয়ছে।

যে মেয়ে হারাম প্রেম করে নিজে কে বিকিয়ে দিয়েছে আমরা তাকে শুনাই সহানুভূতি বানী। অথচ যে মেয়ে হালাল ভাবে বিয়ে করে ডিভোর্স কিংবা বিধবা হয়ছে তাকে আমরা অপয়া, অলক্ষী, চরিএহীন গালি দিয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেই !

আধুনিক যুগে বিয়ে পাত্রী খুজতে গেলে পাওয়া যায় অন্যর ব্যবহারিক প্রেমিকা। প্রেম করে নাই এমন ছেলে মেয়ে আজকাল খুব কম। কিন্ত এখনো সমাজে ভালো ছেলেমেয়ে আছেন যাদের আমরা বেকুব, স্মার্ট হীন আনকারচার বলে তাড়িয়ে দেয়। বয়ফ্রেন্ড কিংবা গার্লফ্রেন্ড নিয়ে বেড়ানো ছেলেমেয়ে গুলো এখন সভ্য এই সমাজের বাসিন্দা। দিনশেষে যখন সেই ছেলেটা বা মেয়েটা বিয়ে জন্য পাএপাএী খোজ করেন তখন তারা ফেরেশতা তুল্যরূপ পাএ-পাএী চান !

অন্যর প্রেমিকা বিয়ে করার চাইতে ডিভোর্সি কিংবা বিধবা মেয়ে কে বিয়ে করা উচিত।

এতে দুনিয়া কাছে সম্মানিত না হলে আল্লাহ কাছে অবশ্যই সম্মানিত হবেন। যদি প্রকৃত পক্ষে সেই ডিভোর্সি মেয়েটা বা ছেলেটা দ্বীনদার হয়।

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Blog single photo
February 26, 2019

আরিফ

টাকা পয়সা লাগবে, সুন্দর হলে ভালো হয়

(0) Reply
Top