logo
logo
news image

এই বাড়ীটি হচ্ছে চন্দননগরের বিখ্যাত পাতাল বাড়ি

বহু প্রাচীন এই বাড়িটির নিচের তলাটি বর্তমানে গঙ্গার জলতলের নীচে। জ্যোতিদাদা ও কাদম্বরী দেবীর সঙ্গে কিশোর রবিও কিছুদিন এই বাড়ির পাশে তেলেনিপাড়ার বারুজ্যেদের বাগান বাড়িতে ছিলেন,সেখান থেকে গেছিলেন মোরান সাহেবের মাটির বাড়িতে।সেই দুটি বাড়ি এখন আর নেই।পরে ১৯৩৫ সালে রবি ঠাকুর এই পাতাল বাড়িতে এসে ওঠেন। কোথায় যেন পড়েছি, রবি ঠাকুরের খুব পছন্দের মিষ্টি ছিল সূর্য মোদকের দোকানের জলভরা সন্দেশ, এখানে এলে সেই মিষ্টি নিয়ে আসা হতো।এই মোরান সাহেবের বাড়ির কথা মনে রেখে পরে, শান্তিনিকেতনে তিনি শ্যামলী বাড়িটি তৈরি করেন।
আর এক মনীষী বিদ্যাসাগর ও মাঝে মধ্যে এই বাড়িতে এসে উঠতেন।একবার বিধবা বিবাহ প্রচলন উপলক্ষে বেশ কিছুদিন এখানে থেকে চন্দননগরের বাসিন্দাদের সাহায্য চেয়ে ছিলেন তিনি।তখন অবধি কলকাতার হিন্দু ধর্মের সব মাথারা বিদ্যাসাগরের বিপক্ষে ছিলেন বিধবা বিবাহ চালু করা নিয়ে।
এবং ঐতিহাসিক ভাবে হিন্দু সমাজে প্রথম বিধবা বিবাহ শুরু হয় চন্দননগরের খলিসানিতে।
কাজেই এটি শুধুমাত্র একটি বাড়ি নয়, এক ঐতিহাসিক সৌধ।

লেখিকাঃ Arpita Prasad (কলকাতা)

কমেন্ট করুন

...

সাম্প্রতিক মন্তব্য

Top